আমাদের অ্যাফিলিয়েট ব্যবস্থা: যে পথটা সবার শেষে বলা হয়, সেটাই প্রায় পুরোটা
একটা অর্ডার তিনভাবে আপনার নামে উঠতে পারে, আর প্রতিটা ব্যাখ্যা যেটাকে আগে রাখে সেটা একশোয় দুটো। কোন পথটা সত্যিই টাকা আনে, বিক্রি রিপোর্ট হয় ঠিক কখন, আর রিপোর্ট হওয়ার পরেও অর্ডার ফেরত গেলে কী হয়।
Avery Bennett
একটা অর্ডার তিনভাবে আপনার নামে উঠতে পারে। এই পাতাটার আগের সব সংস্করণ ওগুলো সেই ক্রমে ব্যাখ্যা করেছে যে ক্রমে ব্যবস্থাটা পরীক্ষা করে।
কোথায় পরিশ্রম দেবেন সেটা ঠিক করার জন্য ওই ক্রমটা উল্টো। কারণ যে পথটা সবার শেষে পরীক্ষা করা হয়, টাকাটা আসে ওখান থেকেই।
বাংলায় এই শব্দটা যে প্রত্যাশা নিয়ে আসে
এটা আগে সরিয়ে নেওয়া দরকার, নইলে বাকি সবটা ভুল প্রশ্নের উত্তর হয়ে যাবে।
বাংলায় রেফার করে টাকা লিখে খুঁজলে যা আসে তার মধ্যে বিকাশে পেমেন্ট শব্দটা দুবার আসে, আর সঙ্গে আসে ইনকাম করার অ্যাপ। অর্থাৎ এই বাজারে রেফার শব্দটার সঙ্গে যে ছবিটা জোড়া থাকে সেটা হলো একটা ফোনের অ্যাপ যেটা বন্ধুকে আনলে ছোট অঙ্ক দেয় আর সেটা মোবাইল ওয়ালেটে পাঠায়।
এটা সেই জিনিস নয়। এখানে কেউ যোগ দিলেই কিছু হয় না। এখানে কিছু হয় তখনই যখন কেউ কিছু কেনে, আর টাকাটা একটা অংশীদার ব্যবস্থার মাধ্যমে হিসাব হয়, কোনো ওয়ালেটে সরাসরি নয়।
দ্বিতীয় প্রত্যাশাটা আসে দারাজ আর অ্যামাজন থেকে, কারণ বাংলায় অ্যাফিলিয়েট শিখতে গেলে মানুষ ওই দুটোর টিউটোরিয়ালেই পৌঁছান। ওই দুই জায়গায় আপনি ক্রেতা আনেন। এখানে ক্রেতা আনা সবচেয়ে কম কাজের পথ, আর কেন সেটা পরের অংশে সংখ্যায় দেওয়া আছে।
আর একটা কথা, কারণ এই শব্দটা নিয়ে বাংলায় যা খোঁজা হয় তার মধ্যে এটা হালাল কি না সেই প্রশ্নটা দুটো আলাদা বানানেই আসে। ওই রায় দেওয়া এই পাতার কাজ নয় আর এখানে সেটা দেওয়াও হবে না। যা দেওয়া হবে সেটা হলো ওই প্রশ্নটা যিনি করছেন তাঁর ঠিক যে দুটো তথ্য দরকার: টাকাটা ঠিক কোন ঘটনায় হিসাব হয়, আর হিসাব হয়ে যাওয়ার পরে মূল লেনদেনটা ভেঙে গেলে কী থাকে। দুটোই নিচে সংখ্যাসহ আছে।
তিনটে পথ, আর কোনটা সত্যিই টাকা আনে
যেসব অর্ডারের বিক্রি রিপোর্ট হয়েছে আর যেগুলোতে পথটার নাম জমা আছে, তার ভাগটা কাছাকাছিও নয়।
- বিক্রেতার পথ, একশোর মধ্যে তিরানব্বইটারও বেশি। আপনার লিংক দিয়ে একজন বিক্রেতা যোগ দিয়েছেন, আর তাঁর কিছু বিক্রি হয়েছে। ক্রেতা কে বা তিনি কোথা থেকে এসেছেন তাতে কিছুই যায় আসে না।
- ক্রেতার পথ, একশোয় পাঁচেরও কম। আপনার লিংক দিয়ে একজন ক্রেতা যোগ দিয়েছেন, আর পরে লগ ইন অবস্থায় অর্ডার করেছেন।
- অর্ডারের পথ, একশোয় দুটো। কেউ আপনার লিংকে এসে সেই একই বসাতেই কিনে ফেলেছেন।
এটাকে এই বাজারটা আসলে কী, তার বিবৃতি হিসেবে পড়ুন। আপনার আনা একজন ক্রেতা কয়েকটা অর্ডার করেন। আপনার আনা একজন বিক্রেতা এমন মজুত সাজিয়ে বসেন যেখান থেকে বহু ক্রেতা কেনেন, আর যতদিন তিনি বিক্রি করেন ততদিন ধরে কেনেন।
যাঁরা যোগ দেওয়ার সময় কারও কোড নিয়ে এসেছেন, তাঁদের হিসাবটাও একই কথা বলে। তেষট্টিজনের মধ্যে পঁচিশজন বিক্রেতা আর নয়জন দুই ভূমিকাতেই আছেন, বিপরীতে কেবল ক্রেতা ঊনত্রিশজন। যাঁরা এটা আগেই বুঝে ফেলেছেন, তাঁরা এখন বিক্রেতাই খোঁজেন।
বিক্রি রিপোর্ট হয় ঠিক কখন, আর এটা আগে যা বলা হতো তা নয়
এই পাতাটায় আগে তিনবার লেখা ছিল যে কেবল সম্পূর্ণ হওয়া আর টাকা দেওয়া অর্ডারগুলোই বিক্রি হিসেবে জানানো হয়। কথাটা ভুল, আর সংশোধনটা দুদিকেই কাজে লাগে।
শর্তটা টাকা দেওয়া, সরবরাহ নয়। অর্ডারের টাকা পুরোপুরি জমা হয়ে গেলে, আর অর্ডারটা আগে থেকে রিপোর্ট হয়ে না থাকলে এবং ফেরত বা ত্রুটির অবস্থায় না থাকলে, রিপোর্টটা চলে যায়। অর্ডারটা তখনও সরবরাহের অপেক্ষায় থাকতে পারে, আর হাতে দেওয়া বা সোশ্যাল মিডিয়ার সেবার অর্ডারে এটা নিয়মিত ঘটে, কারণ ধন্যবাদের পাতাটা সরবরাহের অনেক আগেই আসে।
এই সাইটে আজ পর্যন্ত যত রিপোর্ট গেছে তার হিসাব ধরলে যা দাঁড়ায়: এগারোটা রিপোর্ট গেছে যখন অর্ডারটা তখনও সরবরাহ হচ্ছিল, পঁয়তাল্লিশটা গেছে আংশিক টাকা জমা হওয়া অর্ডারে, আর ছশো অষ্টাশিটা গেছে এমন অর্ডারে যেগুলো শেষ পর্যন্ত ফেরত হয়ে গেছে।
তাই রিপোর্ট হওয়া একটা বিক্রি হলো একটা টাকা জমা হওয়ার খবর, ফলাফলের নিশ্চয়তা নয়। আপনার হিসাব আর আমাদের অর্ডারের ইতিহাস না মিললে সাধারণত এখানেই মেলে না।
রিপোর্ট হয়ে যাওয়ার পরে অর্ডার ফেরত গেলে
রিপোর্টটা থেকে যায়, আর ওটা ফেরানোর কোনো পথ নেই।
কারণটা ব্যবস্থার গঠনে। রিপোর্ট পাঠানোর মুহূর্তে অর্ডারের গায়ে একটা সময়ের ছাপ বসে যায়, আর পরের প্রতিটা চেষ্টায় সবার আগে ওই ছাপটাই দেখা হয়। বারবার আসা পেমেন্টের বার্তা, প্রশাসনের কাজ, অবস্থার বদল, সবগুলোই ওই পরীক্ষায় গিয়ে থেমে যায়। ছাপটা একবার বসে, আর কখনো মোছে না।
ওপরের ছশো অষ্টাশিটা তাই এখনও রিপোর্ট হওয়া অবস্থাতেই বসে আছে, অথচ ওই অর্ডারগুলো ফেরত হয়ে গেছে। এটা কোনো ত্রুটি নয়, এটা ব্যবস্থাটার ঘোষিত আচরণ, আর জেনে রাখাই ভালো।
কোডটা কোথা থেকে পড়া হয়
সার্ভার পাঁচটা জায়গায় কোড খোঁজে, একটা নির্দিষ্ট ক্রমে, আর প্রথমটা পেলেই থেমে যায়।
প্রথমে অনুরোধের ভেতরে পাঠানো কোড, তারপর অনুরোধের ভেতরে পাঠানো রেফারেল কোড, তারপর ঠিকানার শেষে জোড়া ref অংশটা, তারপর একটা referral_code কুকি, আর সবশেষে অংশীদার ব্যবস্থার নিজের কুকি যেটার ভেতরে ছোট একটা তথ্যের কাঠামোয় কোডটা বসানো থাকে।
এর মধ্যে যেটা সরাসরি আপনার হাতে সেটা তৃতীয়টা। যেকোনো লিংকের শেষে ?ref= আর আপনার কোড জুড়ে দেওয়াই যথেষ্ট, কোনো কুকি বা স্ক্রিপ্ট ছাড়াই। এটাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য, কারণ এটা প্রথমবার আসাতেও কাজ করে, ব্যক্তিগত জানালাতেও কাজ করে, আর এমন যন্ত্রেও কাজ করে যেটা সাইটটা আগে কখনো দেখেনি।
কোডটা আপনি যেভাবে লেখেন, ঠিক সেভাবেই জমা হয়
এই পথের কোথাও বড় হাতের অক্ষর বা যতিচিহ্ন এক করে নেওয়া হয় না। যে শব্দটা আসে সেটাই জমা হয়, সেটাই মেলানো হয়, সেটাই রিপোর্ট হয়।
এটা তাত্ত্বিক কথা নয়। অর্ডারের গায়ে যে দশটা আলাদা কোড দেখা গেছে, তার তিনটে আসলে একই দুটো শব্দ, একবার নিচের দাগ দিয়ে জোড়া আর দুবার হাইফেন দিয়ে জোড়া যার একটায় অক্ষরের ছাঁদ আলাদা। ওই তিনটে মিলিয়ে কোড বসানো অর্ডারের সিংহভাগ। একজন অংশীদার, তিনটে কোড।
তাই লিংকের একটা বানান বেছে নিন আর সব জায়গায় সেটাই ব্যবহার করুন। আগেই কয়েকটা ছড়িয়ে ফেলে থাকলে পুরোনোগুলো নষ্ট হয়ে যায়নি, ওগুলো কেবল আলাদা কোড হিসেবে রিপোর্ট হবে।
কুকির প্রশ্নটা এখানে অদ্ভুতভাবে দাঁড়ায়
অ্যাফিলিয়েট লিংক নিয়ে সবচেয়ে বেশি যেটা জানতে চাওয়া হয় সেটা হলো কুকিটা কতদিন টেকে। এখানে উত্তরটা পথ অনুযায়ী ভাগ হয়ে যায়, আর তার দুই তৃতীয়াংশ অস্বাভাবিক।
কেবল অর্ডারের পথটা কেনার মুহূর্তে কুকি বা ঠিকানার ওপর নির্ভর করে, আর ওটাই একশোয় দুটোর পথ। বাকি দুটোয় কোনো মেয়াদ নেই। কেউ আপনার লিংক দিয়ে যোগ দিলে কোডটা তাঁর আইডির গায়ে লিখে দেওয়া হয় আর সেটা ওখানেই থাকে। আজ যোগ দিয়ে এক বছর পরে কেনা ক্রেতা এখনও আপনার নামে ওঠেন, আর আজ যোগ দেওয়া বিক্রেতার বিক্রি যতদিন চলে ততদিন আপনার নামে ওঠে।
একটা নিয়ম এটাকে সীমিত করে। কোডটা কেবল যোগ দেওয়ার মুহূর্তে বসে। কারও আগে থেকে আইডি থাকলে আর তিনি পরে আপনার লিংকে চাপ দিলে তাঁর আইডিতে কিছুই লেখা হয় না, আর কখনো হবেও না। তিনি এখনও আপনার লিংক দিয়ে এসে একটা অর্ডার করতে পারেন, কিন্তু ওটা ছোট পথটা, বড়টা নয়। অর্থাৎ যাঁদের এখানে আইডি আছে তাঁদের পেছনে সময় দেওয়া প্রায় বিনা মজুরির কাজ।
ক্লিক আমরা গুনি না, আর এটাই সোজা কথা
এই ব্যবস্থায় ক্লিকের কোনো হিসাব রাখা হয় না। ক্লিক রাখার মতো কোনো ঘর নেই আর ক্লিক লেখার মতো কোনো পথও নেই, তাই কেউ এসেছিলেন কি না সেটা আমাদের দিক থেকে নিশ্চিত করার উপায় নেই।
ওই দিকটা অংশীদার ব্যবস্থার আর তার নিজের স্ক্রিপ্টের, আর আমরা ওটার ভেতরে দেখতে পাই না। আমরা যেটা নিশ্চিত করতে পারি সেটা তার পরের সবটা: কোন কোডটা আমাদের সার্ভারে পৌঁছেছে, কোন আইডির গায়ে বসেছে, কোন অর্ডারে মিলেছে, আর কোন রিপোর্টটা গেছে।
অর্থাৎ গরমিলটা যদি ক্লিক নিয়ে হয়, ওটা আমাদের পক্ষে খতিয়ে দেখা সম্ভব নয়। আর গরমিলটা যদি রিপোর্ট হওয়া বিক্রি নিয়ে হয়, ওটা সম্ভব।
একটা অর্ডার একবারই রিপোর্ট হয়, একজনের নামেই
তিনটে পথ কোনো ভাগাভাগি নয়, ওটা একটা অগ্রাধিকারের তালিকা।
অর্ডারের গায়ে বসানো কোড জেতে ক্রেতার আইডিতে জমা থাকা কোডের ওপরে, আর ক্রেতার কোড জেতে বিক্রেতার কোডের ওপরে। প্রথমটা পেলেই বাকিগুলো আর দেখা হয় না। দুজন অংশীদার একই অর্ডারে ভাগ পান না, আর দ্বিতীয় কোনো রিপোর্টও যায় না।
রেফারেল নামে এখানে দুটো আলাদা জিনিস আছে
এই দুটো আলাদা করে না নিলে হিসাব মেলাতে গিয়ে সময় নষ্ট হয়, কারণ শব্দগুলো একই রকম।
এই পাতায় যে ব্যবস্থাটার কথা হচ্ছে সেটা বাইরের একটা অংশীদার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে চলে। এর পাশাপাশি এখানকার প্রতিটা আইডি যোগ দেওয়ার সময় নিজের একটা আলাদা রেফারেল কোড পায়, আর সেটা একটা দুই স্তরের ঘরোয়া ব্যবস্থায় যায় যেখানে প্রথম স্তরে পাঁচ শতাংশ আর দ্বিতীয় স্তরে এক শতাংশ হার বসানো আছে। ওই ব্যবস্থাটার নিজের খাতা আছে, আর সেখানে এখন কয়েকশো সারি জমা।
দুটো আলাদা ব্যবস্থা, আলাদা টাকা। কোনো সংখ্যা না মিললে অন্য কিছু দেখার আগে দেখুন আপনি দুটোর কোনটা পড়ছেন।
বিক্রেতার ভাগ থেকে কাটা কমিশন, আর যে পথে ওটা কাটেই না
বিক্রেতার দিকের অংশীদারদের এটা জানা দরকার, আর এটা প্রায় কোথাও লেখা থাকে না।
অর্ডারটা যখন অর্ডারের পথে বা ক্রেতার পথে আপনার নামে ওঠে, তখন ওই অর্ডারে বিক্রেতার নিট ভাগ থেকে একটা শতাংশ কাটা যায়। আর অর্ডারটা যখন বিক্রেতার পথে ওঠে, তখন কিছুই কাটা যায় না।
যেহেতু বিক্রেতার পথটাই একশোর মধ্যে তিরানব্বইটারও বেশি, তাই ওই কাটাটা নিয়মিত ঘটনা নয়, বিরল ঘটনা। আর এর একটা ভালো ফলও আছে: আপনি যে বিক্রেতাকে এনেছেন, তিনি নিজের মার্জিন থেকে আপনার কমিশন দিচ্ছেন না। তাঁর বিক্রি আপনার নামে ওঠে অথচ তাঁর ভাগে হাত পড়ে না।
এই সবটা থেকে যে পাঁচটা নিয়ম বেরোয়
- বিক্রেতা আনুন। এখানে যা কিছু কারও নামে ওঠে তার একশোর মধ্যে তিরানব্বইটারও বেশি বিক্রেতার পথে ওঠে।
?ref=আর নিজের কোডের একটাই বানান ঠিক করুন, আর সব জায়গায় সেটাই দিন।- কোড কেবল যোগ দেওয়ার মুহূর্তে বসে। আগে থেকে আইডি থাকা কাউকে পরে নিজের নামে আনা যায় না।
- রিপোর্ট হওয়া বিক্রি মানে টাকা জমা হয়েছে, জিনিসটা পৌঁছেছে বা টিকে গেছে তা নয়।
- প্রতিটা অর্ডার একবারই রিপোর্ট হয়, একজনের নামে, আর দ্বিতীয়বার কখনো নয়।
Frequently Asked Questions
বিক্রেতা, আর ব্যবধানটা বিশাল। এই সাইটে যেসব অর্ডার কারও নামে উঠেছে আর যেগুলোতে পথটার নাম জমা আছে, তার একশোর মধ্যে তিরানব্বইটারও বেশি বিক্রেতার পথে উঠেছে। ক্রেতার পথ একশোয় পাঁচেরও কম আর অর্ডারের পথ একশোয় দুটো। কারণটা সোজা: আনা ক্রেতা নিজের অর্ডারগুলো করেন, আর আনা বিক্রেতা এমন মজুত সাজিয়ে বসেন যেখান থেকে বহু ক্রেতা কেনেন।
টাকা পুরোপুরি জমা হওয়ার মুহূর্তে, যদি অর্ডারটা আগে রিপোর্ট হয়ে না থাকে আর তখন ফেরত বা ত্রুটির অবস্থায় না থাকে। সরবরাহ এই শর্তের অংশ নয়, তাই সরবরাহ চলছে এমন অর্ডারও রিপোর্ট হতে পারে আর এখানে এগারোটা হয়েছে। কেবল সম্পূর্ণ হওয়া অর্ডার গোনা হয় বলে যদি কেউ বলে থাকেন, সেটা ভুল ছিল আর এই পাতাটাই আগে সেটা বলত।
রিপোর্টটা থেকে যায়। পাঠানোর মুহূর্তে অর্ডারের গায়ে একটা সময়ের ছাপ বসে যায় আর পরের প্রতিটা চেষ্টায় সবার আগে ওটাই দেখা হয়, তাই ফেরানোর কোনো পথ নেই। এই সাইটের গোটা ইতিহাসে ছশো অষ্টাশিটা রিপোর্ট হওয়া বিক্রি এমন অর্ডারের ওপর বসে আছে যেগুলো শেষ পর্যন্ত ফেরত হয়ে গেছে।
তিনটে পথের দুটোতে কোনো মেয়াদই নেই। কেউ আপনার লিংক দিয়ে যোগ দিলে কোডটা তাঁর আইডির গায়ে লিখে দেওয়া হয় আর ওখানেই থাকে, তাই এক বছর পরে কেনা ক্রেতা বা বছরের পর বছর বিক্রি করা বিক্রেতা এখনও আপনার নামে ওঠেন। কেবল একই বসায় কেনার পথটা কুকি বা ঠিকানার ওপর নির্ভর করে, আর ওটা মোটের একশোয় দুটো।
তাঁর আইডিতে নয়। কোড কেবল যোগ দেওয়ার মুহূর্তে বসে, আর আগে থেকে থাকা আইডিতে পরে লিংকে চাপ দিলেও কিছু লেখা হয় না। তিনি আপনার লিংক দিয়ে এসে একই বসায় কিনে একটা অর্ডার আপনার নামে তুলতে পারেন, কিন্তু ওটা তিনটে পথের সবচেয়ে ছোটটা।
হ্যাঁ। এই পথের কোথাও বড় হাতের অক্ষর বা যতিচিহ্ন এক করে নেওয়া হয় না, তাই নিচের দাগ দিয়ে লেখা কোড আর হাইফেন দিয়ে লেখা একই কোড রিপোর্টের হিসাবে দুটো আলাদা কোড। এটা ইতিমধ্যেই ঘটেছে: অর্ডারের গায়ে দেখা দশটা কোডের তিনটে আসলে একই দুটো শব্দের তিন বানান। একটা বানান বেছে নিয়ে সেটাই ব্যবহার করুন।
গুনি না। এই ব্যবস্থায় ক্লিক রাখার কোনো ঘর নেই আর ক্লিক লেখার কোনো পথও নেই। ক্লিকের হিসাব যদি থাকে তবে সেটা অংশীদার ব্যবস্থার আর তার নিজের স্ক্রিপ্টের, আর আমরা ওটার ভেতরে দেখতে পাই না। ক্লিকের পরের সবটা আমরা নিশ্চিত করতে পারি: কোন কোড পৌঁছেছে, কোন আইডিতে বসেছে, কোন অর্ডারে মিলেছে আর কোন রিপোর্ট গেছে।
পারেন না। প্রতিটা অর্ডার একটাই কোডে গিয়ে দাঁড়ায়, আর ক্রমটা নির্দিষ্ট: অর্ডারের গায়ে বসানো কোড, তারপর ক্রেতার আইডিতে জমা কোড, তারপর অর্ডারের ভেতরের বিক্রেতার কোড। এটা ভাগাভাগি নয়, অগ্রাধিকারের তালিকা, আর একবার রিপোর্ট হয়ে গেলে অর্ডারের গায়ে বসা ছাপটা দ্বিতীয় রিপোর্ট আটকে দেয়।
না, আর এই দুটো গুলিয়ে ফেলাই হিসাব না মেলার সবচেয়ে সাধারণ কারণ। এই পাতার ব্যবস্থাটা বাইরের একটা অংশীদার ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে চলে। এর পাশাপাশি এখানকার প্রতিটা আইডি যোগ দেওয়ার সময় নিজের একটা আলাদা রেফারেল কোড পায়, যেটা একটা দুই স্তরের ঘরোয়া ব্যবস্থায় যায়, প্রথম স্তরে পাঁচ শতাংশ আর দ্বিতীয় স্তরে এক শতাংশ হারে। আলাদা ব্যবস্থা, আলাদা খাতা।

Avery Bennett
সোশ্যাল মিডিয়া কনসালট্যান্ট এবং গ্রোথ হ্যাকার। সব আকারের ব্র্যান্ডের জন্য ভাইরাল কন্টেন্ট তৈরি এবং ইনফ্লুয়েন্সার মার্কেটিং কৌশলে বিশেষজ্ঞ।



