X আইডির দাম কীসে বাড়ে, আর কীসে বাড়ে না
খোঁজার তালিকায় ফলোয়ার শব্দটা বারবার আসে। এখানকার নয়শো আটটা তালিকায় ফলোয়ার নামের কোনো দামের ঘরই নেই। যেটা আছে সেটা একটা বছর।
Avery Bennettবাংলা হরফে এই বিষয়টা কেউ খোঁজেন না, আর সেটা গোপন করার কিছু নেই। টুইটার আইডি লিখলে গুগল দুটো জিনিস দেখায়, আর তার একটা হলো লেখাটা নিজেই। বিক্রির খোঁজ শূন্য।
ইংরেজি হরফে ছবিটা আলাদা, আর ওখানেই আসল প্রশ্নটা দেখা যায়। twitter account buy লিখলে যে দশটা জিনিস আসে তার মধ্যে ফলোয়ার আছে, shadowban আছে, আর তিন নম্বরে আছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ।
এই লেখাটা ওই প্রথম শব্দটার জবাব দিয়ে শুরু করবে, কারণ সেটাই সবচেয়ে বেশি টাকা নষ্ট করে।
একটাই লাফ, আর সেটা বসে ২০২১-এ
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই ঘরে নয়শো আটটা চালু তালিকা ছিল। দাম কীসে নড়ে সেটা মেপে দেখলে একটাই বড় জিনিস পাওয়া যায়, আর সেটা নিবন্ধনের বছর।
২০২২ সালের আগে খোলা বলে চিহ্নিত তালিকা এই তাকের প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ, আর সেগুলোর দাম মাঝামাঝির সোয়া দুই গুণ। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের চিহ্ন বসানো তালিকা প্রায় চার ভাগের এক ভাগ, আর সেগুলোর দাম মাঝামাঝির সামান্য নিচে।
এখানে যেটা লক্ষ্য করার তা হলো, ২০২২ সালের আগের ভাগটার ভেতরে আবার দুটো স্তর আছে, ২০১৭ সালের আগে আর ২০১৭ থেকে ২০২১। দুটোরই গুণ একই, সোয়া দুই।
অর্থাৎ এটা কোনো ঢালু রাস্তা নয়, এটা একটা ধাপ। ২০১৫ সালের একটা আইডির জন্য ২০১৯ সালেরটার চেয়ে বেশি দিলে আপনি এমন কিছুর দাম দিচ্ছেন যেটার দাম বাজার নিচ্ছে না। কিন্তু ২০২২ থেকে ২০২১-এ পেরোতে চাইলে দাম প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি হয়ে যায়।
তাই প্রশ্নটা কত পুরোনো নয়। প্রশ্নটা হলো, ২০২১-এর কোন পাশে আপনার দরকার।
ফলোয়ার এখানে দামের ঘরই নয়
এটা সরাসরি বলা দরকার। এই তাকে ফলোয়ার নামের কোনো ঘর নেই, তাই ফলোয়ার ধরে ছেঁকে নেওয়ার কোনো উপায়ও নেই।
নয়শো আটটা তালিকার নামের মধ্যে ফলোয়ার শব্দটা আছে একশো ছিয়ানব্বইটায়, অর্থাৎ পাঁচটার একটার মতো। কিন্তু ওটা বিক্রেতার নিজের লেখা, ওটা কোনো ঘরে বসানো সংখ্যা নয়। তার মানে ওটা যাচাই করার জিনিস, ছেঁকে নেওয়ার জিনিস নয়।
যেটা সত্যিই একটা ঘর, সেটা হলো প্রোফাইল ভরা আছে কি না। ওটা বসানো আছে তিনটের একটার একটু বেশিতে, আর ওগুলোর দাম মাঝামাঝির দেড় গুণ।
এই দুটোকে গুলিয়ে ফেলবেন না। প্রোফাইল ভরা মানে ছবি আছে, পরিচয় লেখা আছে, কিছু পুরোনো লেখা আছে। প্রোফাইল ভরা মানে কেউ পড়ছে এমন নয়, আর এই তাকের কোনো ঘরই সেটা মাপে না।
যে দুটোর জন্য আপনি বাড়তি দিচ্ছেন না
নতুন ক্রেতারা সাধারণত এই দুটোকে উন্নত সংস্করণ ভাবেন। এই তাকে ওগুলো স্বাভাবিক জিনিস।
দুই ধাপের যাচাই বসানো আছে দশটার সাতটাতে, আর তার দাম ঠিক মাঝামাঝিতে। উদ্ধারের মেইল দেওয়া আছে তিনটের দুটোতে, আর তার দাম মাঝামাঝির চেয়ে এক দশমাংশ বেশি, যা কার্যত কিছু নয়।
আর দুটোই একসঙ্গে আছে অর্ধেকেরও বেশি তালিকায়। অর্থাৎ এটাই এখানকার চেনা চেহারা, কোনো বিশেষ প্যাকেজ নয়। কোনো তালিকায় যদি এই দুটোর জন্য দাম বেশি চাওয়া হয়, তাহলে আপনার কাছে স্বাভাবিক জিনিসটার দাম চাওয়া হচ্ছে।
বছরের চেয়েও বড় লাফটা যেখানে লুকিয়ে
এই অংশটা ইংরেজি লেখাটায় নেই, আর ওখানে উল্টো কথা লেখা আছে। মেপে দেখলে বছরের ধাপটাই সবচেয়ে বড় নয়।
আমেরিকার চিহ্ন বসানো তালিকা আছে বাহাত্তরটা, আর সেগুলোর দাম মাঝামাঝির প্রায় আট গুণ। gmail.com ঠিকানার চিহ্ন বসানো আছে চব্বিশটায়, আর সেগুলোর দাম প্রায় নয় গুণ। দশটার বেশি পুরোনো লেখা আছে বলে চিহ্নিত তালিকা তিপ্পান্নটা, দাম পৌনে পাঁচ গুণ।
এখানে সংখ্যাগুলো ইচ্ছে করে লিখলাম, কারণ গুণের হিসাবটা তার চেয়ে কম জরুরি। চব্বিশটা তালিকার উপর মাপা নয় গুণ একটা বাজারদর নয়, ওটা চব্বিশটা তালিকার কথা। কিন্তু বাহাত্তরটার উপর মাপা আট গুণ অগ্রাহ্য করার মতোও নয়।
বাস্তব পাঠটা হলো, আপনার যদি নির্দিষ্ট দেশের বা নির্দিষ্ট ধরনের মেইলের আইডি লাগে, সেটা এখানকার সবচেয়ে দামি চাহিদা, বছরের চেয়েও দামি। আর সেটা না লাগলে ওই ঘরগুলোর দিকে তাকানোরও দরকার নেই।
shadowban নেই লেখা থাকলে
খোঁজার তালিকায় এই শব্দটা আছে, তাই এটার জবাব দরকার। নয়শো আটটা তালিকার নামের মধ্যে এই দাবিটা আছে পঁয়ষট্টিটায়।
দাবিটা মিথ্যা নয়, কিন্তু ওটা যতটুকু বলে ততটুকুই। ওটা বিক্রির মুহূর্তের একটা অবস্থার কথা, আর ওই মুহূর্তে ওটা যাচাই করাও যায়। ওই সময়েই যাচাই করে নিন।
যেটা কেউ বলতে পারেন না তা হলো ওই অবস্থাটা টিকে থাকবে কি না, কারণ সেটা ঠিক করে আইডিটা হাত বদলের পরে কী করে, আর সেটার উপর বিক্রেতার কোনো হাত নেই। কোনো তালিকা যদি এটাকে চলমান প্রতিশ্রুতি হিসেবে লেখে, সেটা কম নয়, বেশি সাবধান হওয়ার কারণ।
নব্বইজন বিক্রেতা, আর তার একটাই ব্যবহার
এই তাকে বিক্রেতা নব্বইজন, আর তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বড়জনের হাতে আটটার একটার মতো। তুলনা করুন টেলিগ্রামের ঘরের সঙ্গে, যেখানে সবচেয়ে বড়জনের হাতে তিন ভাগের এক ভাগের কাছাকাছি।
এর একটাই কাজের ব্যবহার আছে, আর সেটা হলো সরে আসা। কোনো তালিকার শর্ত পছন্দ না হলে প্রায় নিশ্চিতভাবেই অন্য কারও কাছে কাছাকাছি জিনিস আছে। তাই যে তালিকাটা নিয়ে আপনার সন্দেহ আছে সেটা নেওয়ার কোনো কারণ নেই।
এটা মনে রাখার কারণ হলো, এখানে বেছে নেওয়ার সুযোগটাই আপনার আসল সুবিধা, আর মানুষ সাধারণত সেটাই ব্যবহার করেন না।
মেয়াদের ঘরটা, আর কেনার পরের ক্রম
মাঝামাঝি তালিকায় সমস্যা জানানোর মেয়াদ বারো ঘণ্টা, আর চার ভাগের এক ভাগ তালিকায় সেটা এক ঘণ্টারও কম। ঘড়ি চালু হয় জিনিস হাতে পাওয়ার মুহূর্ত থেকে।
ঢোকার উপকরণ হিসেবে এখানে বেশিরভাগ তালিকায় দুটো লেখা আসে, পাসওয়ার্ড নয়। ওই দুটো কী আর একটা ছাড়া অন্যটা দিয়ে কী হয় না, সেটা আলাদা লেখায় আছে। ব্যাজ নিয়ে যা জানা দরকার সেটা এখানে।
প্রথম ঘণ্টার ক্রমটা ছোট রাখুন। ঢোকার উপকরণটা সম্পূর্ণ কি না, তালিকায় লেখা যেসব দাবি পর্দায় সংখ্যা হিসেবে দেখা যায় সেগুলো সত্যি কি না, আর নিরাপত্তার ঘর ও মেইল দুটোতেই পৌঁছানো যাচ্ছে কি না।
শেষে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথাটা। ওখানে দর কষাকষি সহজ হতে পারে, কিন্তু ওখানে কোনো ঘর নেই। বছর, ফরম্যাট আর মেয়াদ ওখানে যা লেখা হয় তার মানে যিনি লিখেছেন তিনিই ঠিক করেন, তাই দুটো তালিকা মিলিয়ে দেখার কোনো উপায় থাকে না। চলতি তালিকা এই পাতায়।
