কোন কোন যন্ত্রে খোলা আছে, আর ডিলিট করলে কী যায়
বাংলায় টেলিগ্রাম নিয়ে ডিলিট শব্দটা বারবার খোঁজা হয়। কিন্তু ডিলিট করার আগে যে তালিকাটা দেখা দরকার, সেটা বেশিরভাগ মানুষ কখনো খোলেনই না।
Michael Chenবাংলায় টেলিগ্রাম একাউন্ট লিখে খুঁজলে যা আসে, তার মধ্যে ডিলিট শব্দটা তিনবার আলাদা আলাদাভাবে আসে। ডিলিট, ডিলিট করার নিয়ম, আইডি ডিলিট করে কিভাবে।
অর্থাৎ মানুষ আইডিটা মুছে ফেলতে চান, আর কীভাবে করতে হয় সেটা খুঁজে পাচ্ছেন না।
কিন্তু ডিলিট করার আগে একটা তালিকা দেখে নেওয়া দরকার, আর সেই তালিকাটা বেশিরভাগ মানুষ কখনো খোলেনই না। ওটা দিয়েই শুরু করা যাক।
session expired, কথাটার মানে
এই ইংরেজি লাইনটা বাংলাদেশ থেকে এর মানে জানার জন্য খোঁজা হয়, আর এটা দিয়ে শুরু করলে বাকি সবটা সহজ হয়ে যায়।
কথাটার মানে হলো, আপনি ঢুকেছিলেন ঠিকই, কিন্তু ওই ঢুকে থাকার অবস্থাটার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। এখন আবার নতুন করে ঢুকতে হবে।
এখানে দুটো জিনিস আলাদা করে বোঝা দরকার, কারণ এটাই পুরো ব্যাপারটার ভিত্তি। এক, ঢোকা। এটা একটা ঘটনা, একবার ঘটে। দুই, ঢুকে থাকা। এটা একটা অবস্থা, চলতে থাকে।
আপনি যতবার একটা নতুন যন্ত্রে ঢোকেন, ততবার একটা করে নতুন অবস্থা তৈরি হয়। আর ওই অবস্থাগুলো নিজে নিজে শেষ হয় না। আপনি ফোনটা বিক্রি করে দিলেও ওটা থেকে যায়।
এই কারণেই তালিকাটা গুরুত্বপূর্ণ। ওখানে যা যা জমেছে, সব একসঙ্গে দেখা যায়।
তালিকাটা কোথায়, আর কী দেখবেন
সেটিংসের ভেতরে যন্ত্র বা ডিভাইস নামে একটা জায়গা আছে। ওখানে প্রতিটা চালু অবস্থার জন্য একটা করে সারি থাকে, আর প্রতিটার সঙ্গে থাকে যন্ত্রের ধরন, মোটামুটি একটা জায়গার নাম, আর শেষ কবে ব্যবহার হয়েছে।
এখানে কী দেখবেন, সেটা সোজা করে বলা যাক।
জায়গার নামটা দেখে বিচার করবেন না। ওটা আসে সংযোগের ঠিকানা থেকে, আর বাংলাদেশে মোবাইল অপারেটরের ঠিকানা প্রায়ই অন্য শহরে নিবন্ধিত থাকে। ঢাকায় বসে চট্টগ্রাম দেখানো একেবারেই স্বাভাবিক।
যেটা দেখবেন সেটা হলো সংখ্যা আর ধরন। আপনার কাছে একটা ফোন আর একটা কম্পিউটার থাকলে তালিকায় দুটো থাকার কথা। তিনটে থাকলে একটা বাড়তি। আর যদি এমন কোনো যন্ত্রের ধরন দেখেন যেটা আপনার কখনো ছিলই না, তাহলে সেটাই আসল সংকেত।
দ্বিতীয়ত, শেষ কবে ব্যবহার হয়েছে সেটা দেখুন। অনেক পুরোনো একটা যন্ত্র যেটা আপনি আর ব্যবহার করেন না, সেটা বিপজ্জনক না হলেও তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়াই ভালো, কারণ তাতে পরেরবার অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়া সহজ হয়।
দূর থেকে বের করে দেওয়া, আর যে যন্ত্র থেকে করছেন সেটাই আসল শর্ত
এটা টেলিগ্রামের সবচেয়ে কাজের সুবিধাগুলোর একটা, আর এর সঙ্গে একটা শর্ত জোড়া আছে যেটা প্রায় কোথাও লেখা থাকে না।
ওই তালিকা থেকে যেকোনো একটা সারি বেছে নিয়ে বন্ধ করে দিলে ওই যন্ত্রটা সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে যায়। যেটা বন্ধ করছেন সেটা আপনার হাতে থাকার দরকার নেই, ওটা অন্য দেশে থাকলেও চলবে।
কিন্তু আপনি যে যন্ত্র থেকে কাজটা করছেন সেটাকে অন্তত চব্বিশ ঘণ্টা ঢুকে থাকতে হবে। টেলিগ্রাম কোনো সেশনকে অন্য কোনো সেশন বন্ধ করতে দেয় না যতক্ষণ না ওই সেশনটা নিজেই চব্বিশ ঘণ্টা পার করে। বাধাটা একটা যন্ত্র বন্ধ করা, বাকি সব একসঙ্গে বন্ধ করা আর মেয়াদ বসিয়ে দেওয়া, তিনটেতেই সমান খাটে, আর ছোট করার মতো কোনো সেটিং নেই।
আপনার নিজের ফোন বা কম্পিউটার, যেটায় আপনি মাসের পর মাস ঢুকে আছেন, ওই শর্তটা অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে। তাই পুরোনো ফোনটা হারিয়ে গেছে বা বিক্রি করে দিয়েছেন আর ওটা থেকে লগ আউট করতে ভুলে গেছেন, এই অবস্থায় নিজের চেনা যন্ত্র থেকে আপনি এখনই সেটা ঠিক করতে পারেন।
উল্টো দিকে, ঠিক এই মুহূর্তে যে যন্ত্রে নতুন করে ঢুকলেন, ওটা দিয়ে আজ কাউকে বের করা যাবে না। এটাই কেনা আইডির ক্ষেত্রে পুরো ব্যাপারটা বদলে দেয়, আর সেটা নিচের অংশে।
একটা কথা মনে রাখার মতো। কেউ আপনার আইডিতে ঢুকে পড়লে তাঁর ওপরেও একই শর্ত খাটে, অর্থাৎ ঢোকার প্রথম দিনে তিনি আপনাকে বের করতে পারবেন না। কিন্তু চব্বিশ ঘণ্টা পার হলে পারবেন। তাই অচেনা কিছু চোখে পড়লে নিজের পুরোনো যন্ত্র থেকে সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিন, পরে দেখব বলে রাখবেন না, কারণ ওই অপেক্ষাটা তাঁর পক্ষে যাচ্ছে।
আর বের করে দেওয়ার পরে দুই ধাপের যাচাইয়ের পাসওয়ার্ডটা বদলে নিন। নইলে যে বেরিয়ে গেল সে আবার ঢুকতে পারে, কারণ বের করে দেওয়া মানে তার জানা তথ্যগুলো মুছে যাওয়া নয়। আর পাসওয়ার্ড বদলানোর ওপরে ওই চব্বিশ ঘণ্টার শর্তটা নেই, ওটা যেকোনো সময় করা যায়।
কেনা আইডিতে আগের মালিকের যন্ত্র, আর প্রথম দিনে যা করা যায় না
এই সাইটে টেলিগ্রাম আইডির ঘরে ছশো তিরানব্বইটা চালু তালিকা আছে তেত্রিশজন বিক্রেতার কাছ থেকে। সেখান থেকে কেনার পরে এই তালিকাটাই সবচেয়ে জরুরি জায়গা, আর এখানেই সবচেয়ে বেশি ভুল হয়।
কারণটা সহজ। আপনি ঢুকতে পেরেছেন মানে এই নয় যে আগের মালিক বেরিয়ে গেছেন। তাঁর যন্ত্রটা তালিকায় থেকে যেতে পারে, আর তিনি তখনো সব দেখতে পাচ্ছেন।
মানুষ এখানে দুটো ভুল করেন, আর দ্বিতীয়টা কম জানা।
প্রথম ভুলটা হলো পাসওয়ার্ড বদলে নিশ্চিন্ত হয়ে যাওয়া। পাসওয়ার্ড বদলালে চালু যন্ত্রগুলো নিজে থেকে বেরিয়ে যায় না। ওটা আলাদা একটা কাজ।
দ্বিতীয় ভুলটা হলো ধরে নেওয়া যে ওই আলাদা কাজটা আজই করা যাবে। যাবে না। আপনি এইমাত্র ঢুকেছেন, তাই আপনার সেশনটার বয়স কয়েক মিনিট, আর ওপরে যে চব্বিশ ঘণ্টার শর্তটার কথা বলা হয়েছে সেটা ঠিক এখানেই এসে আটকায়। আজ আপনি কাউকে বের করতে পারবেন না, না একজনকে, না সবাইকে একসঙ্গে।
তাই আসল ক্রমটা এরকম, আর এটা দুই দিনের কাজ।
প্রথম দিন। ঢুকুন, আর সঙ্গে সঙ্গে দুই ধাপের যাচাইয়ের পাসওয়ার্ডটা নিজের হাতে আনুন, নিজের একটা উদ্ধারের মেইল ঠিকানাসহ। এটার ওপর কোনো অপেক্ষা নেই আর এটাই আজকের একমাত্র সত্যিকারের প্রতিরক্ষা। তারপর যন্ত্রের তালিকাটা খুলুন, কিন্তু কিছু করার জন্য নয়, লিখে রাখার জন্য। কটা সারি আছে, কী ধরনের যন্ত্র, কোন অঞ্চল দেখাচ্ছে, শেষ কবে ব্যবহার হয়েছে।
দ্বিতীয় দিন। চব্বিশ ঘণ্টা পেরোনোর পরে ফিরে গিয়ে নিজেরটা ছাড়া বাকি সব বন্ধ করে দিন। আগের দিনের লিখে রাখা তালিকাটা তখন কাজে লাগে, কারণ ওটা দেখলেই বোঝা যায় এই এক দিনে কিছু যোগ হয়েছে কি না।
আর সময়ের হিসাবটা এখানে অস্বস্তিকর, তাই সেটা সোজাসুজি বলা দরকার। এখানকার প্রতিটা তালিকা সঙ্গে সঙ্গে হাতে আসে, কিন্তু এই ঘরের ছশো তিরানব্বইটার মধ্যে চারশো চব্বিশটায় সমস্যা জানানোর মেয়াদ আধা দিন, আর একশো পঁয়ত্রিশটায় সেটা মাত্র পাঁচ মিনিটের মতো। অর্থাৎ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাতবদল সম্পূর্ণ করার কাজটা শেষ হওয়ার আগেই ওয়ারেন্টির সময় ফুরিয়ে যাবে, আর এটা কোনো বিক্রেতার তৈরি সমস্যা নয়, এটা টেলিগ্রামের নিয়ম আর তাকের মেয়াদের মধ্যে একটা ফাঁক।
এর বাস্তব অর্থটা হলো, ওয়ারেন্টির সময়টুকু খরচ করুন সেই প্রশ্নটার উত্তর পেতে যেটার উত্তর ওই সময়ের মধ্যে পাওয়া যায়: আইডিটা আদৌ খুলছে কি না, ভেতরে যা বলা হয়েছিল তা আছে কি না, আর পাসওয়ার্ডটা সত্যিই বদলানো যাচ্ছে কি না। পাসওয়ার্ড বদলাতে না পারলে সেটা প্রথম দিনেই জানা যায়, আর ওটাই বলার মতো সমস্যা। আর যন্ত্রের তালিকা পরিষ্কার করাটা পরের দিনের কাজ, ওটা দিয়ে কেনাটা যাচাই করা যায় না।
ডিলিট করলে কী যায়
এবার সেই প্রশ্নটা, যেটা বাংলায় সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়।
প্রথমে একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার। ডিলিট করার জায়গাটা অ্যাপের ভেতরে নেই। ওটা টেলিগ্রামের একটা আলাদা ওয়েব পাতা, আর ব্রাউজার থেকে ওখানে গিয়ে নিজের নম্বর দিয়ে কাজটা করতে হয়। মানুষ সেটিংসের ভেতরে খুঁজে খুঁজে হয়রান হন, আর ওখানে ওটা নেই।
যা যায়:
- আপনার সব কথোপকথন আর বার্তা, দুই দিকেই।
- আপনার পরিচিতির তালিকা।
- যেসব গ্রুপ বা চ্যানেলের আপনি একমাত্র মালিক, সেগুলো।
- নম্বরটার সঙ্গে জোড়া পরিচয়টা।
যা থাকে, আর এটাই বেশি মানুষ ভুল বোঝেন:
আপনি অন্যদের যে বার্তাগুলো পাঠিয়েছিলেন, সেগুলো তাঁদের দিকে থেকে যায়। ডিলিট করলে আপনার দিকেরটা মুছে যায়, কিন্তু অন্য মানুষের ফোন থেকে আপনার পাঠানো কথা মুছে যায় না। এটা অনেকে ধরে নেন উল্টোভাবে।
আর যেসব গ্রুপ বা চ্যানেলে অন্য কেউও মালিক আছেন, সেগুলো চলতেই থাকে, শুধু আপনি সেখান থেকে সরে যান।
ডিলিট করার আগে যে তিনটে কাজ
এই কাজটা ফেরানো যায় না, তাই আগে কয়েকটা জিনিস সেরে নেওয়া দরকার।
এক, যে চ্যানেল বা গ্রুপটা চালু রাখতে চান, সেটার মালিকানা অন্য কাউকে দিয়ে দিন। এটা আগে করতে হবে, কারণ ডিলিট হয়ে যাওয়ার পরে আর কিছু করার থাকে না, আর একমাত্র মালিক থাকা চ্যানেলটা আপনার সঙ্গেই চলে যাবে।
দুই, দরকারি কিছু থাকলে সেটা নামিয়ে রাখুন। ছবি, ফাইল, কারও নম্বর।
তিন, নম্বরটা নিয়ে ভাবুন। ডিলিট করার পরে ওই একই নম্বর দিয়ে আবার নতুন করে খোলা যায়, কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ নতুন একটা আইডি হবে। পুরোনো কিছু ফিরে আসবে না, আর যাঁরা আপনাকে চিনতেন তাঁদের তালিকায় আপনি নতুন কেউ হয়ে দেখাবেন।
আর একটা কথা যেটা কম জানা। টেলিগ্রামে একটা ঘড়ি চলে, যেটা বলে দেয় আপনি কতদিন না ঢুকলে আইডিটা নিজে থেকে মুছে যাবে। ওটা সেটিংসের ভেতরে আছে আর ওটা আপনি নিজে বদলাতে পারেন। এখানে কোনো নির্দিষ্ট সময় লিখছি না, কারণ ওটা বেছে নেওয়া যায় আর আপনার আইডিতে যা সেট করা আছে সেটাই আপনার জন্য সত্যি। নিজের ঘরে গিয়ে দেখে নিন কী বসানো আছে, বিশেষ করে যদি আপনার এমন কোনো আইডি থাকে যেটা আপনি বছরে একবার ব্যবহার করেন।
Frequently Asked Questions
আপনি ঢুকেছিলেন ঠিকই, কিন্তু ঢুকে থাকার অবস্থাটার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তাই আবার নতুন করে ঢুকতে হবে। ঢোকা আর ঢুকে থাকা আলাদা জিনিস, প্রথমটা একবারের ঘটনা আর দ্বিতীয়টা চলতে থাকা অবস্থা। প্রতিবার নতুন যন্ত্রে ঢুকলে একটা করে নতুন অবস্থা তৈরি হয়।
সেটিংসের ভেতরে যন্ত্র বা ডিভাইস নামে একটা জায়গায়। জায়গার নাম দেখে বিচার করবেন না, ওটা সংযোগের ঠিকানা থেকে আসে আর এখানে প্রায়ই অন্য শহর দেখায়। যন্ত্রের সংখ্যা আর ধরন দেখুন, আর এমন কোনো ধরন দেখলে যেটা আপনার কখনো ছিলই না, সেটাই আসল সংকেত।
যায়, আর যেটা বন্ধ করছেন সেটা আপনার হাতে থাকার দরকার নেই, অন্য দেশে থাকলেও চলবে। তবে শর্তটা অন্য দিকে: আপনি যে যন্ত্র থেকে কাজটা করছেন সেটাকে অন্তত চব্বিশ ঘণ্টা ঢুকে থাকতে হবে, কারণ টেলিগ্রাম নতুন সেশনকে অন্য সেশন বন্ধ করতে দেয় না। নিজের পুরোনো ফোন বা কম্পিউটার ওই শর্ত অনেক আগেই পেরিয়েছে, তাই ওখান থেকে এখনই করা যায়। এর পরে দুই ধাপের যাচাইয়ের পাসওয়ার্ডটাও বদলে নিন, আর ওটার ওপর কোনো অপেক্ষা নেই।
না, আর এটাই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। পাসওয়ার্ড বদলালে চালু যন্ত্রগুলো নিজে থেকে বেরিয়ে যায় না, ওটা আলাদা একটা কাজ। কিন্তু ওই আলাদা কাজটা প্রথম দিনে করা যায় না: টেলিগ্রাম কোনো সেশনকে অন্য সেশন বন্ধ করতে দেয় না যতক্ষণ না ওই সেশনটা নিজেই চব্বিশ ঘণ্টা ঢুকে থাকে, আর ওই বাধা একজনকে বের করা আর সবাইকে একসঙ্গে বের করা দুটোতেই খাটে। তাই প্রথম দিনে পাসওয়ার্ডটা নিজের হাতে আনুন আর যন্ত্রের তালিকাটা কেবল লিখে রাখুন, আর পরের দিন ফিরে গিয়ে বাকি সব বন্ধ করুন।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যাবে না, আর এটা জেনে রাখা ভালো। এই ঘরের ছশো তিরানব্বইটা তালিকার মধ্যে চারশো চব্বিশটায় মেয়াদ আধা দিন আর একশো পঁয়ত্রিশটায় সেটা মাত্র পাঁচ মিনিটের মতো, অথচ যন্ত্রের তালিকা পরিষ্কার করতে চব্বিশ ঘণ্টা লাগে। তাই ওয়ারেন্টির সময়টুকু খরচ করুন সেই প্রশ্নগুলোয় যেগুলোর উত্তর ওই সময়েই পাওয়া যায়: আইডিটা খুলছে কি না, ভেতরে যা বলা ছিল তা আছে কি না, আর পাসওয়ার্ডটা সত্যিই বদলানো যাচ্ছে কি না।
অ্যাপের ভেতরে নয়, আর মানুষ এখানেই হয়রান হন। ওটা টেলিগ্রামের একটা আলাদা ওয়েব পাতা, ব্রাউজার থেকে ওখানে গিয়ে নিজের নম্বর দিয়ে কাজটা করতে হয়। সেটিংসের ভেতরে খুঁজে পাবেন না।
না, আর এটা অনেকে উল্টো বোঝেন। আপনার দিকের সব মুছে যায়, কিন্তু আপনি অন্যদের যে বার্তা পাঠিয়েছিলেন সেগুলো তাঁদের ফোনে থেকে যায়। মুছে যায় আপনার কথোপকথন, পরিচিতি আর যেসব গ্রুপ বা চ্যানেলের আপনি একমাত্র মালিক সেগুলো। তাই চালু রাখতে চাওয়া চ্যানেলের মালিকানা আগে অন্য কাউকে দিয়ে দিন।

Michael Chen
প্রযুক্তি উৎসাহী এবং কন্টেন্ট কৌশলবিদ, যিনি Instagram ও Facebook মার্কেটিং-এ বিশেষজ্ঞ। নতুন ট্রেন্ড অন্বেষণ করতে এবং কমিউনিটির সাথে অন্তর্দৃষ্টি শেয়ার করতে ভালোবাসেন।
