জেমিনি: যে তিনটে সুইচ জিনিসপত্র লুকিয়ে রাখে, আর ছাত্রদের অফারটার আসল অবস্থা
জেমিনি দুশো তিরিশের বেশি দেশে চলে আর বাংলাও বোঝে, তাই কিছু কাজ না করলে সেটা প্রায় কখনোই দেশের বাধা নয়। বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি খোঁজা ছাত্রদের অফারটা নিয়ে গুগলের নিজের দুটো পাতা দুরকম কথা বলছে।
Michael Chenকেউ যখন বলেন জেমিনি কাজ করছে না, তিনি প্রায় কখনোই বোঝাতে চান না যে পাতাটা খুলছে না। তিনি বোঝাতে চান তাঁর জিমেইল পড়তে পারছে না, বা পাশের জনের পর্দায় যে জিনিসটা আছে সেটা তাঁর পর্দায় নেই।
দেশের বাধা এখানে ছোট একটা অংশ। গুগলের নিজের পাতায় লেখা আছে যে জেমিনির ওয়েব সংস্করণ সত্তরের বেশি ভাষায় আর দুশো তিরিশের বেশি দেশ ও ভূখণ্ডে চলে, আর ওই তালিকায় বাংলাদেশ আছে এবং ভাষার তালিকায় বাংলা আছে। যেগুলো সত্যিই জিনিস লুকিয়ে রাখে সেগুলো অন্য জায়গায়, সংখ্যায় তিনটে, আর একটাও চোখে পড়ার মতো জায়গায় নেই।
বাংলায় জেমিনি বলতে মানুষ যা খোঁজেন
এটা আগে বলে নেওয়া দরকার, কারণ এই লেখাটা যদি আপনার প্রশ্নের উত্তর না দেয়, তাহলে সেটা এখানেই জেনে নেওয়া ভালো।
বাংলা হরফে জেমিনি এআই লিখে খুঁজলে যে দশটা জিনিস আসে, তার নয়টাই ছবি বা ভিডিও নিয়ে। ফটো এডিটর, ছবি বানানো, ছবি এডিট করার লিংক, ভিডিও এডিটর। অর্থাৎ এই বাজারে জেমিনি মানে বেশিরভাগ মানুষের কাছে একটা ছবির সরঞ্জাম, একটা সহকারী নয়।
ওই কাজগুলো একই জায়গায় হয়, একই আইডি দিয়ে, আর আলাদা কোনো সংস্করণ লাগে না। কিন্তু ছবির কাজে যে সীমাগুলো লাগে সেগুলো নিচের ধাপে দ্রুত ফুরোয়, আর সেই কারণেই ছবির খোঁজ থেকে মানুষ দামের খোঁজে পৌঁছান। সেই পথটাই এই লেখার বাকিটা।
এটা নামানোর অ্যাপ নয়, আর apk এর ব্যাপারটা
বাংলায় জেমিনি নিয়ে যা খোঁজা হয় তাতে ডাউনলোড বা নামানো শব্দটা বারবার আসে, আর একটা খোঁজে সরাসরি apk লেখা থাকে। এই জায়গাটায় স্পষ্ট হওয়া দরকার।
জেমিনি একটা সেবা যেটা গুগলের ঘরে চলে আর আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে বাঁধা। ফোনের জন্য অ্যাপ আছে, কিন্তু ওটা একই জিনিসের আরেকটা দরজা, আলাদা কোনো সফটওয়্যার নয়। কাজটা আপনার যন্ত্রে হয় না, তাই কোনো ফাইল নামিয়ে ওটা চালু করার ব্যাপার এখানে নেই।
এই কথাটা নিরাপত্তার কথা, ভাষার কথা নয়। কোনো জায়গা থেকে জেমিনির apk নামালে আপনি গুগলের জিনিস পাচ্ছেন না, আপনি অন্য কারও বানানো একটা প্রোগ্রাম পাচ্ছেন যেটা আপনার গুগল অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড চাইবে। ওটা দিয়ে দিলে যা যায় সেটা একটা অ্যাপ নয়, ওটা আপনার পুরো পরিচয়। অফিসিয়াল দোকান ছাড়া অন্য কোথাও থেকে এই জিনিস নামানোর কোনো কারণ নেই।
সুইচ এক: Connected Apps, আর ওটা এখন কোথায়
জেমিনি আপনার জিমেইল, ড্রাইভ, ছবি বা বার্তায় পৌঁছাতে পারবে কি না, সেটা প্রতিটা সেবার জন্য আলাদা একটা সুইচ। জায়গাটার নাম Connected Apps।
পথটা এখন সেটিংস, তারপর Connected Apps। গুগল নিজেই যোগ করেছে যে ওখানে জিনিসটা না পেলে আগে Personal Intelligence খুলতে হতে পারে। পুরোনো লেখাগুলোতে যে পথটা দেওয়া আছে সেটা আর মেলে না, আর এই কারণেই বহু মানুষ খুঁজে না পেয়ে ধরে নেন সুবিধাটা তাঁদের আইডিতে আসেনি।
এখানে একটা বাড়তি কথা আছে যেটা বাংলাদেশ থেকে পড়লে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গুগল লিখে রেখেছে যে Connected Apps এর তালিকায় কোন কোন অ্যাপ থাকবে সেটা কোন জেমিনি অ্যাপ, কোন যন্ত্র আর কোন দেশ, তার ওপর বদলায়। অর্থাৎ কোনো একটা অ্যাপ আপনার তালিকায় নেই, আর সেটা সুইচ বন্ধ থাকার কারণেও নয়, ত্রুটির কারণেও নয়। ওটা এখানে ওই তালিকায় নেই।
তাই সিদ্ধান্তের ক্রমটা এরকম। আগে দেখুন জিনিসটা তালিকায় আছে কি না। থাকলে দেখুন সুইচটা চালু কি না। আর তালিকাতেই না থাকলে সুইচ খুঁজে সময় নষ্ট করার কিছু নেই।
সুইচ দুই: কার্যকলাপ বন্ধ থাকলে প্রথমটা এমনিতেই কাজ করে না
এটাই সবচেয়ে অদ্ভুত সুইচটা, কারণ এটা অন্য একটা পর্দায় বসে থাকে আর ওখানে জেমিনির নামই নেই।
গুগল লিখেছে যে কার্যকলাপ জমা রাখার সেটিংটা বন্ধ করে দিলে গুগল ওয়ার্কস্পেসের মতো Connected Apps গুলো পাওয়া যায় না। অর্থাৎ কয়েক মাস আগে গোপনীয়তার কথা ভেবে নেওয়া একটা সিদ্ধান্তই আজকের এই সমস্যাটা তৈরি করেছে, আর দুটোর মধ্যে কোনো সংকেত নেই।
একটা ছাড়ও লেখা আছে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ফোন, বার্তা, হোয়াটসঅ্যাপ আর যন্ত্র সহায়তা, এগুলো ওই সেটিং চালু থাকুক বা না থাকুক পাওয়া যায়। যেটা চলে যায় সেটা ওয়ার্কস্পেসের দিকটা।
এটা কোনো ত্রুটি নয়, এটা একটা সত্যিকারের বিনিময়। নথি আর চিঠির সঙ্গে যোগটা চাইলে কার্যকলাপ চালু রাখতে হবে। কোনটা বেশি দরকার সেটা আপনার সিদ্ধান্ত, কিন্তু অন্তত জেনে নিয়ে নেওয়া উচিত, খুঁজে খুঁজে হয়রান হয়ে নয়।
সুইচ তিন: অফিস বা স্কুলের আইডি হলে সিদ্ধান্তটা আপনার নয়
কাজের বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুগল অ্যাকাউন্টে ওপরের কিছুই আপনার হাতে নেই।
ওখানে একজন প্রশাসককে আগে অ্যাপ যুক্ত করার অনুমতিটা চালু করতে হয়। আর তার সঙ্গে আলাদাভাবে জিমেইলের ভেতরের স্মার্ট সুবিধার সেটিংটাও চালু থাকতে হয়, নইলে জেমিনি ওয়ার্কস্পেসের কিছুতেই পৌঁছায় না। দুটো দরজা, দুটোই আপনার আইডির বাইরে, আর দুটোই আপনার কাছে সুবিধা না থাকার চেহারায় আসে।
বয়সের একটা কড়া লাইনও আছে। ব্যক্তিগত বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুগল অ্যাকাউন্টে তেরো বা আপনার দেশের প্রযোজ্য বয়স, আর কাজের আইডিতে আঠারো। কাজের আইডিতে সমস্যা খুঁজতে বসার আগে এটাই আগে বাদ দিয়ে নেওয়া সবচেয়ে সস্তা।
ছাত্রদের ফ্রি অফার: গুগলের নিজের দুটো পাতা দুরকম কথা বলছে
বাংলাদেশ থেকে জেমিনি নিয়ে যা খোঁজা হয়, তার মধ্যে ছাত্রদের অফারটা পাঁচবার আলাদাভাবে আসে। ছাত্রদের জন্য ফ্রি, বাংলাদেশি ছাত্রদের জন্য ফ্রি, ছাত্র অফার বাংলাদেশ। চাহিদাটা বাস্তব, তাই এটা মেপে দেখা হয়েছে, আর যা পাওয়া গেছে সেটা অস্বস্তিকর।
গুগলের নিজের ছাত্র পাতাটা ইংরেজিতে খুললে লেখা থাকে এক বছরের জন্য Google AI Pro, আর তার প্রশ্নোত্তরের ঘরে যোগ্যতা বলা আছে আঠারো বছরের বেশি বয়সী উপযুক্ত মার্কিন কলেজ ছাত্রদের কথা বলে।
ঠিক ওই একই পাতাটা বাংলায় খুললে লেখা থাকে Google AI Plus, আর সেখানে কোনো দেশের নাম নেই, কেবল বয়স আর ছাত্র হওয়ার শর্ত।
অর্থাৎ একই পাতার দুই ভাষায় দুটো আলাদা ধাপের নাম, আর দেশের শর্তটা একটায় আছে অন্যটায় নেই। বাংলাদেশে যেসব লেখা এই অফার নিয়ে ঘুরছে সেগুলোও ঠিক এই দুই ভাগেই ভাগ হয়ে আছে, আর এখন বোঝা যায় কেন। ওরা একে অন্যের থেকে ভুল তোলেনি, ওরা গুগলের দুটো আলাদা পাতা থেকে তুলেছে।
এই লেখা কোনটা সঠিক সেই রায় দেবে না, কারণ দেওয়ার মতো ভিত্তি নেই। যা বলা যায় সেটা হলো, একমাত্র যে পরীক্ষাটা আপনার জন্য সত্যি সেটা হলো নিজের গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে গুগলের ছাত্র পাতায় গিয়ে যাচাই শুরু করা, আর দেখা অফারটা আদৌ দেখা যাচ্ছে কি না। যাচাইটা একটা তৃতীয় পক্ষের ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে হয় যেটা সাধারণত প্রতিষ্ঠানের দেওয়া মেইল ঠিকানা চায়, আর গুগল লিখে রেখেছে যে সুবিধাটা ধরে রাখতে প্রতি বছর নতুন করে যাচাই করতে হয়। মেয়াদটাও লেখা আছে, একত্রিশে ডিসেম্বর দুই হাজার ছাব্বিশ পর্যন্ত।
আর একটা বাস্তব কথা। কেউ যদি টাকার বিনিময়ে আপনার হয়ে এই ছাত্র যাচাইটা করিয়ে দিতে চান, তাহলে তিনি হয় আপনার প্রতিষ্ঠানের মেইল ঠিকানাটা চাইবেন, নয়তো অন্য কারও ছাত্র পরিচয় ব্যবহার করবেন। প্রথমটায় আপনি একটা কাজের মেইল ঠিকানা অন্য কারও হাতে তুলে দিচ্ছেন, আর দ্বিতীয়টা প্রতি বছরের যাচাইয়ে ভেঙে পড়ে।
ধাপের নামগুলো বদলে গেছে, আর পুরোনো নামটা সব জায়গায় রয়ে গেছে
Gemini Advanced এখন আর কোনো ধাপের নাম নয়। গুগলের নিজের তুলনার পাতায় চারটে অবস্থা আছে: কোনো এআই প্ল্যান ছাড়া, Google AI Plus, Google AI Pro আর Google AI Ultra।
দ্বিতীয় একটা গোলমাল নামের ভেতরেই তৈরি করা, আর এটাই এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল পরামর্শের উৎস। Gemini Pro একটা মডেলের নাম, ধাপের নাম নয়। গুগল Flash-Lite, Flash আর Pro কে মডেল হিসেবে বেছে নেওয়ার তালিকায় রাখে। Google AI Pro আলাদা জিনিস, ওটা একটা সাবস্ক্রিপশন। প্রায় একই নাম, দুটো আলাদা জিনিস।
টাকা দিয়ে আসলে যা কেনা হয় সেটা কোনো সুবিধার তালিকা নয়, একটা বরাদ্দের গুণিতক। গুগলের নিজের ভাষায় Plus হলো সাধারণ সীমার দ্বিগুণ, Pro চার গুণ, আর Ultra হলো Pro এর পাঁচ বা কুড়ি গুণ, কোন Ultra নিয়েছেন তার ওপর নির্ভর করে।
লক্ষ করুন এগুলো সবই অনুপাত, আর যে সাধারণ সীমার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে সেটা কোথাও সংখ্যায় প্রকাশ করা নেই। কারণটাও ওই একই পাতায় লেখা: সীমা আগাম না জানিয়ে বদলাতে পারে, ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার কারণেও, আর পরীক্ষানিরীক্ষা বা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে অ্যাক্সেস বদলাতে বা সীমিত হতে পারে। এই কারণেই এই লেখায় কোনো সংখ্যা নেই, আর অন্য কোনো লেখাতেও ওই সংখ্যা থাকার কথা নয়।
দেশ কোথায় সত্যিই বাধা, আর সেটা অ্যাপে নয়
অ্যাপে নয়। ওয়েব সংস্করণের তালিকা দুশো তিরিশ ছাড়িয়ে যায়, বাংলাদেশ ওখানে আছে, আর ভাষার তালিকায় বাংলাও আছে।
যেখানে দেশ এখনও কামড় দেয় সেটা সাবস্ক্রিপশন, আর এর সবচেয়ে ভালো প্রমাণটা গুগলের কোনো পাতা নয়, এই সাইটেরই একটা তালিকা। জেমিনির ঘরে যে তালিকাগুলো নিজের আইডিতে বসানোর কোড বিক্রি করে, তার একটার নিজের বিবরণে লেখা আছে যে টাকা ভরা যাবে না যদি আপনার আগে থেকেই সদস্যপদ থাকে, যদি আপনি কোনো পরিবারের দলে থাকেন, বা যদি আপনার অঞ্চল সমর্থিত না হয়। ওই একই বিবরণে আরও লেখা আছে যে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এটা একজন বিক্রেতা নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখে রাখছেন, আর বাংলাদেশ থেকে কেনার আগে এটাই সবচেয়ে কাজের বাক্য। যে বাধাটা আপনার জন্য আছে সেটা চ্যাটের জানালায় ঢোকা নিয়ে নয়, টাকা দেওয়া ধাপটা আপনার আইডিতে বসবে কি না তা নিয়ে।
এখানে জেমিনির নামে যা বিক্রি হয়: কয়েকটা তালিকা, কয়েক রকম জিনিস
এই ঘরটা ছোট, আর ছোট হওয়াটাই এখানে পড়ার মতো জিনিস নয়। পড়ার মতো জিনিস হলো ভেতরের তালিকাগুলো একই জিনিসের কয়েকটা সংস্করণ নয়।
দুই সেপ্টেম্বর দুই হাজার ছাব্বিশ তারিখে জেমিনির ঘরে আজ পর্যন্ত ছাব্বিশটা পণ্য বসেছে, তার ছয়টা পণ্যের নিজস্ব শর্ত মেটায় আর চারটে দোকান ও বিক্রেতার শর্তসহ পুরো ছাঁকনি পেরিয়ে ক্রেতার সামনে আসে, তিনজন বিক্রেতার কাছ থেকে। আর ওই কয়টার মধ্যে অন্তত চার ধরনের জিনিস আছে:
- বয়সওয়ালা একটা গুগল অ্যাকাউন্ট। যেটা জেমিনিতেও পৌঁছায়, কিন্তু বিক্রি হচ্ছে তার পুরোনো হওয়ার জন্য, জেমিনির জন্য নয়।
- একটা API চাবি। এটা চ্যাটের আইডিই নয়। ওটার নিজের বিবরণে মডেলের নামের তালিকা দেওয়া আছে, আর আপনি যদি অ্যাপটা চেয়ে থাকেন তাহলে এটা আপনার কোনো কাজে আসবে না।
- বিক্রেতার দেওয়া একটা আইডির ওপরে বসানো সাবস্ক্রিপশন। আপনি ক্রেডেনশিয়াল আর একটা দুই ধাপের চাবি পান, আর ধাপটা ওই আইডির সঙ্গে বাঁধা, আপনার আইডির সঙ্গে নয়।
- আপনার নিজের আইডিতে বসানোর কোড বা লিংক। এখানে কোনো আইডি আসে না, শুধু একটা কোড আসে, আর সেটা হয় আপনার চলতি আইডিতে বসে যায় নয়তো বসে না।
শেষ দুটো একে অন্যের উল্টো, আর শিরোনাম দেখে গুলিয়ে ফেলা সহজ। একটা আপনাকে এমন একটা পরিচয় দেয় যেটা আপনি বানাননি, অন্যটা আপনার নিজের পরিচয়টাকে ওপরে তোলে আর বাকি সব যেমন ছিল তেমনই রাখে। দাম দেখে সাজানোর আগে ঠিক করে নিন কোনটা চাই, কারণ ওরা একে অন্যের বিকল্প নয়।
সমস্যা জানানোর মেয়াদগুলো এই ফারাকটা নিজে থেকেই দেখিয়ে দেয়। ওগুলো আধ ঘণ্টার কম থেকে পুরো একদিন পর্যন্ত ছড়ানো, আর ওটা বিক্রেতা অনুযায়ী নয়, জিনিসের ধরন অনুযায়ী চলে। কোড আর লিংকের মেয়াদ সবচেয়ে ছোট, আর হাতে দেওয়া আইডিগুলোর মেয়াদ একদিন। একটা কোড হয় প্রথম কয়েক মিনিটেই কাজ করে নয়তো করে না, আর হাতে পাওয়া আইডিতে সমস্যা পরেও দেখা দিতে পারে। মেয়াদটাকে তাই বিক্রেতার নিজের ঝুঁকির হিসাব হিসেবে পড়ুন।
বিক্রির দিকটাও ছোট, আর সেটা বলে দেওয়াই ঠিক। এই ঘরে আজ পর্যন্ত মোট উনিশটা ইউনিট বিক্রি হয়েছে, এগারোজন আলাদা ক্রেতার কাছে, আটটা আলাদা পণ্যের ওপর। এটা একটা গভীর বাজার নয়, আর এই আকারে কোনো নিয়ম দাঁড় করানো যায় না।
নিজের আইডিতে বসানোর পথটা নিলে আগে থেকে একটা ভালো অবস্থার গুগল অ্যাকাউন্ট লাগবে, আর সেই মজুতটা জিমেইলের তাকে আছে। হাতে পাওয়া আইডি চাইলে জেমিনির তালিকা আর গোটা এআই আইডির ঘরটা পাশাপাশি দেখলে বোঝা যায় ভাগটা কতটা অসম, আর ChatGPT এর তাকে মজুত অনেক বেশি।