বাংলায় ইমেইল একাউন্ট লিখে খুঁজলে দশটা সাজেশনের দশটাই খোলা, তৈরি করা বা ফিরে পাওয়া নিয়ে, একটাও কেনা নিয়ে নয়। তাই এই তাকে যাঁরা আসেন তাঁদের দরকার আলাদা কিছু। এওএল মেইল এখানে আটত্রিশটি সারিতে, আর তার একটা বড় অংশ সাধারণ মেইলের মতো ব্যবহার করাই যায় না।
সাজান:
ক্যাটালগ অনলি চালু আছে — শুধু ক্যাটালগ এবং ফিল্টার দেখাচ্ছে।
আটত্রিশটি শিরোনাম একটা একটা করে পড়া হয়েছে। যে তেরোটিতে এই শর্তটা আছে সেগুলো লুকিয়ে রাখেনি, বরং নিজের নামেই সরাসরি বলে দিয়েছে।
আপনি মেইলটা কীভাবে ব্যবহার করবেন
ব্রাউজারে খুলে পড়তে চাইতাহলে ওই তেরোটি সারি বাদ। সেগুলোতে ওয়েব পাতায় ঢোকার ব্যবস্থাটাই বন্ধ, আর সেটা বিক্রেতার সিদ্ধান্ত নয়, ওই আইডিগুলোর অবস্থা।
মেইল ক্লায়েন্টে যোগ করবতাহলে তেরোটিই খোলা, আর তাদের অনেকগুলোই তাকের সস্তা প্রান্তে। মেইল ক্লায়েন্ট মানে কম্পিউটার বা ফোনের সেই প্রোগ্রাম যেখানে সার্ভারের ঠিকানা বসিয়ে মেইল টেনে আনা হয়।
শব্দগুলো যা যা ব্যবহার হয়েছে তেরোটি সারিতে কথাটা কয়েকভাবে লেখা: ব্রাউজারের জন্য নয়, ওয়েবে ঢোকা নেই, ব্রাউজার অনুমোদিত নয়, শুধু মেইল ক্লায়েন্ট দিয়ে, এমনকি একটিতে রুশ ভাষায়। কোনোটাই উল্টো কথা বলেনি, অর্থাৎ কোথাও লেখা নেই যে ব্রাউজারেও চলবে। সংখ্যাটা তাই পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য।
দ্বিতীয় শর্ত
ছয়টি সারিতে একটা রেকর্ডে দুটো পাসওয়ার্ড আসে
এই তাকে একটা নির্দিষ্ট গোলমাল বারবার হওয়ার কথা, আর সেটা আগে বুঝে নিলে এড়ানো যায়।
কী পাঠানো হয়
ছয়টি সারির শিরোনামে দেওয়ার ছাঁচটাই লেখা আছে, আর সেখানে ঠিকানার পরে দুটো আলাদা গোপন শব্দ থাকে। একটা ওয়েব পাতার জন্য, আরেকটা মেইল ক্লায়েন্টে বসানোর জন্য। দুটো এক নয় এবং একটার জায়গায় অন্যটা কাজ করে না।
কেন এটা গোলমাল বাধায়
পাসওয়ার্ড কাজ করছে না, এই অভিযোগটা এই তাকে দুই রকম মানে বহন করতে পারে। ছয়টি সারির দুটি আবার ওই তেরোটিরও একটি, অর্থাৎ সেখানে প্রথম পাসওয়ার্ডটা কোথাও ব্যবহারই হবে না। যাচাইয়ের ঘরে ঢোকার আগে কোনটা কীসের সেটা মিলিয়ে নিন।
ব্যবহারিক পরামর্শ জিনিসটা হাতে পেয়ে যদি তিনটে অংশ দেখেন, তাহলে দ্বিতীয়টা দিয়ে ওয়েবে আর তৃতীয়টা দিয়ে মেইল ক্লায়েন্টে চেষ্টা করুন, উল্টোটা নয়। এই তাকে সাতটি সারিতে কোনো যাচাইয়ের ঘরই নেই, তাই ভুল ক্রমে চেষ্টা করে সময় নষ্ট করার সুযোগ কম।
দুটো চিহ্ন যেগুলো প্রায় সবার
ছত্রিশটি সারিতে একই চিহ্ন, তাই সেটা কিছু আলাদা করে না
এই তাকের বাঁ পাশের ছাঁকনি দেখতে ভরা মনে হয়, কিন্তু দুটো বড় চিহ্নই প্রায় সব সারিতে বসানো।
চিহ্ন
কতটি সারিতে
দোকানের ভেতরে দামের ফারাক
মেইল ক্লায়েন্টে ঢোকার ব্যবস্থা
আটত্রিশটির ছত্রিশটি
সাতটি দোকানের পাঁচটিতে হুবহু শূন্য
এসএমএসে যাচাই
আটত্রিশটির ত্রিশটি
সাতটি দোকানের পাঁচটিতে হুবহু শূন্য
প্রথম চিহ্নটা দিয়ে ছাঁকলে আটত্রিশটি থেকে দুটি সারি বাদ যায়। যে চিহ্ন প্রায় সবার গায়ে আছে সেটা বাছাইয়ের কাজে আসে না, আর দোকান ধরে মিলিয়ে দেখলে তার জন্য বাড়তি দামও নেওয়া হয় না।
তাই যা কাজে লাগে এই তাকে বাছাইয়ের সব তথ্য শিরোনামে, ছাঁকনিতে নয়। ব্রাউজারের শর্ত, পাসওয়ার্ডের ছাঁচ আর বয়সের কথা তিনটেই কেবল নামে লেখা থাকে এবং তিনটেরই কোনো চিহ্ন নেই।
যেগুলো নিয়ম বলে মনে হয়েছিল
তিনটি চিহ্ন দোকান ধরে ভাগ করার পর উল্টো দিকে চলে গেছে
প্রতিটি চিহ্নের অনুপাত প্রথমে পুরো তাক ধরে বের করা হয়েছে, তারপর সাতটি দোকানের ভেতরে আলাদা করে যাচাই করা হয়েছে। তিনটিই ভেঙে পড়েছে।
মিশ্র আইপি ষোলোটি সারি, তাকে সস্তা দেখায়, কিন্তু দুই দোকানে দামি
স্বয়ংক্রিয়ভাবে খোলা নয়টি সারি, একই রকম উল্টো ফল
উচ্চমান মাত্র চারটি সারি, দুই দোকানে দামি আর একটিতে সস্তা
মেইলসহ ছয়টি সারি, চারটি দোকানের প্রতিটিতে ফারাক প্রায় শূন্য
কেন এগুলো লেখা হয়নি
একই চিহ্নের দাম একটি দোকানে মাঝামাঝির প্রায় দেড় গুণ আর আরেকটিতে এক চতুর্থাংশ হলে সেটা চিহ্নের দাম নয়। ওটা দোকানের দাম, আর চিহ্নটা কেবল কোন দোকান সেটা জানিয়ে দিচ্ছে।
শেষ চিহ্নটা সম্পর্কে আলাদা কথা
মেইলসহ লেখা চিহ্নটা একটা মেইলের তাকে বিশেষভাবে অর্থহীন, কারণ এখানে পণ্যটাই মেইল।
ছয়টি সারিতে সেটা বসানো, আর চারটি দোকানের প্রতিটির ভেতরে দামের ফারাক প্রায় শূন্য।
তাই ওই চিহ্নটা দেখে আলাদা কিছু পাচ্ছেন ভাববেন না, বরং শিরোনামে কী কী দেওয়া হচ্ছে তার তালিকা পড়ুন।
চারটি সারির অনুপাত লেখা হয়নি উচ্চমানের চিহ্নটা মাত্র চারটি সারিতে। পাঁচটির কম সারির ওপর দাঁড়ানো কোনো গুণিতক এই পাতায় লেখা হয়নি, বিশেষত যখন তিন দোকানের একটি উল্টো দিকে যায়। সংখ্যাটা বলা হয়েছে, অনুপাতটা নয়।
সময়ের ঘর
মেইল যাচাই করতে যত সময় লাগে, সাতটি সারিতে তা নেই
এই তাকে সময়ের ঘরটা চার ধাপে ভাগ হয়ে আছে, আর সবচেয়ে নিচের ধাপটা কার্যত শূন্য।
ষোলোটি সারিতে আধ দিন
তেরোটি সারিতে এক ঘণ্টা
দুটি সারিতে আধ ঘণ্টার কাছাকাছি
সাতটি সারিতে এত কম যে সাইটের নিয়মে কোনো ঘরই খোলে না
মেইলের ক্ষেত্রে এই ঘরটা বেশি জরুরি একটা মেইল আইডি ঠিকমতো কাজ করছে কি না বুঝতে হলে ক্লায়েন্টে যোগ করে অন্তত একটা বার্তা টেনে আনতে হয়, আর সেটা কয়েক মিনিটের কাজ নয়। যে সারিতে ঘর নেই সেখানে ব্যবস্থাটা আগে থেকে তৈরি না রাখলে যাচাইয়ের সুযোগই থাকবে না।
বিক্রির রেকর্ড
ছয়টি সারিতে সত্যিকারের অর্ডার হয়েছে
এই ব্যাচের বেশির ভাগ তাকে কোনো বিক্রি নেই। এখানে আছে, আর তাই সংখ্যাটা কী বলছে তা দেখা যায়।
যা গোনা গেছে
সম্পন্ন হওয়া অর্ডারের ভেতরের পণ্যের সারি ধরে চোদ্দটি অর্ডার লাইনে বাইশটি একক পাওয়া গেছে, আটত্রিশটির মধ্যে ছয়টি সারিতে। সবচেয়ে বেশি নেওয়া সারিটির শিরোনামে মাসে লেখা একটা বয়স আছে, অর্থাৎ ক্রেতারা বয়সের দাবি লেখা সারির দিকেই গেছেন।
পাশে বসা অন্য সংখ্যাটা
তিনটি সারির পাশে উজানের দোকানের একটা বিক্রির সংখ্যা আছে যার যোগফল আটশোর বেশি।
এই সাইটের নিজের গুনতির সঙ্গে সেটা প্রায় চল্লিশ গুণ ফারাক দেখায়।
ওই ঘরটা গোটা সাইটে কেবল দুটি উজানের উৎসের সারিতে ভরে, তাই বাকিদের শূন্যও কিছু বোঝায় না।
সাতটি দোকান আটত্রিশটি সারি সাতটি দোকানে ছড়ানো, সবচেয়ে বড়টির হাতে বারোটি। এই ব্যাচের তুলনায় এটা ভালো ছড়ানো, আর সে কারণেই এখানে প্রতিটি চিহ্ন দোকান ধরে ভাগ করে যাচাই করা সম্ভব হয়েছে।
অর্ডারের আগে শিরোনামে যে চারটি জিনিস খুঁজবেন
এই তাকের সব আসল তথ্য শিরোনামে, আর ছাঁকনিতে তার কিছুই নেই।
ব্রাউজারের শর্ত তেরোটি সারিতে সরাসরি না লেখা আছে
দেওয়ার ছাঁচ ছয়টি সারিতে দুটো পাসওয়ার্ডের কথা লেখা
বয়স মাসে লেখা থাকলে সেটা কাজের তথ্য, বিক্রিও সেদিকেই গেছে
সময়ের ঘর সাতটি সারিতে সেটা খোলেই না
শেষ কথা ছাঁকনির বড় দুটো চিহ্ন প্রায় সব সারিতে বসানো, তাই সেগুলো দিয়ে বাছাই হয় না। আর তিনটি চিহ্নের অনুপাত দোকান ধরে ভাগ করার পর উল্টে গেছে, তাই সেগুলোও এখানে লেখা হয়নি। ব্রাউজারে ঢোকার শর্তটাই এই তাকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং সেটা কেবল নামে লেখা থাকে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী AOL
এই ক্যাটাগরি সম্পর্কে দ্রুত উত্তর। উত্তর পুরো পড়তে প্রশ্নটি প্রসারিত করুন।
কেনা মেইলটা কি ব্রাউজারে খুলবে
তেরোটি সারিতে খুলবে না, আর সেটা ওই সারিগুলো নিজেরাই শিরোনামে লিখে রেখেছে। কথাটা কয়েকভাবে লেখা হয়েছে, যেমন ব্রাউজারের জন্য নয়, ওয়েবে ঢোকা নেই, বা কেবল মেইল ক্লায়েন্ট দিয়ে। তেরোটিই পড়ে দেখা হয়েছে এবং কোথাও উল্টো কথা নেই। বাকি পঁচিশটিতে এই শর্তটা লেখা নেই।
মেইল ক্লায়েন্ট মানে কী
কম্পিউটার বা ফোনের সেই প্রোগ্রাম যেখানে সার্ভারের ঠিকানা আর গোপন শব্দ বসিয়ে মেইল টেনে আনা হয়, ওয়েব পাতায় না ঢুকেই। এই তাকের প্রায় সব সারিতেই সেই ব্যবস্থা চালু করা আছে, আর তেরোটি সারিতে সেটাই একমাত্র রাস্তা। ব্যবস্থাটা আগে থেকে তৈরি রাখলে যাচাইয়ের সময়টা কাজে লাগে।
দুটো পাসওয়ার্ড এল কেন
ছয়টি সারির শিরোনামে দেওয়ার ছাঁচটাই লেখা আছে আর সেখানে দুটো আলাদা গোপন শব্দ থাকে, একটা ওয়েব পাতার জন্য আর একটা মেইল ক্লায়েন্টের জন্য। দুটো এক নয় এবং একটার জায়গায় অন্যটা কাজ করে না। ছয়টির দুটি আবার ব্রাউজারবিহীন সারি, যেখানে প্রথমটা কোথাও ব্যবহারই হবে না।
ছাঁকনি দিয়ে ভালো সারি বাছা যায় কি
কার্যত যায় না। সবচেয়ে বড় চিহ্নটা আটত্রিশটির ছত্রিশটিতে বসানো, তাই সেটা দিয়ে ছাঁকলে দুটি সারি বাদ যায়। দ্বিতীয় বড় চিহ্নটা ত্রিশটিতে। আর যে তিনটি চিহ্নের অনুপাত দেখে কিছু বোঝা যেত বলে মনে হয়েছিল, সেগুলো দোকান ধরে ভাগ করলে উল্টো দিকে চলে যায়। শিরোনামই একমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস।
যাচাইয়ের জন্য সময় কতটা পাব
ষোলোটি সারিতে আধ দিন, তেরোটিতে এক ঘণ্টা, দুটিতে আধ ঘণ্টার কাছাকাছি। আর সাতটি সারির মেয়াদ এত কম যে সাইটের নিজের নিয়মে সেখানে কোনো ঘরই খোলে না। মেইলের ক্ষেত্রে এটা বাড়তি জরুরি, কারণ ক্লায়েন্টে যোগ করে একটা বার্তা টেনে আনতে কয়েক মিনিটের বেশি লাগে।
এখান থেকে আগে কেউ কিনেছেন কি
হ্যাঁ। সম্পন্ন অর্ডারের ভেতরের পণ্যের সারি ধরে গুনে চোদ্দটি লাইনে বাইশটি একক পাওয়া গেছে, ছয়টি সারিতে ছড়ানো। সবচেয়ে বেশি নেওয়া সারিটির শিরোনামে মাসে লেখা একটা বয়স আছে। পাশে যে বড় সংখ্যাটা কোনো কোনো সারিতে দেখা যায় সেটা আলাদা জিনিস, ওটা উজানের দোকানের হিসাব আর আমাদের গুনতির সঙ্গে প্রায় চল্লিশ গুণ ফারাক দেখায়।