সবচেয়ে বেশি যা খোঁজা হয়
ভিডিও নামানো, ছবি নামানো, নামানোর সরঞ্জাম। দশটা সাজেশনের ছয়টাই এই একটা কাজ নিয়ে। এর জন্য কোনো আইডির দরকারই হয় না, নিজের হোক বা কেনা।
Loading HstockPlus
(40 পণ্যসমূহ)
বাংলায় এই নামটা লিখলে দশটার মধ্যে ছয়টা সাজেশনই ছবি বা ভিডিও নামানো নিয়ে, আর বাকিগুলো সাইটটা কী আর আইডি কীভাবে খুলবেন তা নিয়ে। পিন্টারেস্ট একাউন্ট কেনার প্রশ্ন কেউ করে না। তাই এখানে সেই ভান না করে বলা হয়েছে পুরোনো তারিখের একটা প্রোফাইল আসলে কী দেয় আর কী দেয় না।
এই সাইটটা নিয়ে বাংলায় যা খোঁজা হয় তার তালিকাটা অস্বাভাবিক রকম পরিষ্কার, আর সেটা এই পাতার শুরু ঠিক করে দিয়েছে।
ভিডিও নামানো, ছবি নামানো, নামানোর সরঞ্জাম। দশটা সাজেশনের ছয়টাই এই একটা কাজ নিয়ে। এর জন্য কোনো আইডির দরকারই হয় না, নিজের হোক বা কেনা।
সাইটটা কী, আইডি খোলার নিয়ম আর কভার ছবির মাপ কত। অর্থাৎ নতুন ব্যবহারকারীর প্রশ্ন। এগুলোর উত্তরও একটা কেনা আইডি দেয় না।
এই সাইট থেকে টাকা আয় করা যায় কি না, আর মার্কেটিং বলতে এখানে কী বোঝায়। যাঁরা এটা খোঁজেন তাঁদের একটা তৈরি প্রোফাইল কাজে লাগতে পারে, আর তাঁদের জন্যই বাকি পাতাটা।
ছাপ্পান্নটি সারির দাম নানাভাবে ভেঙে দেখা হয়েছে, আর একটা মাত্র জায়গায় একটা পরিষ্কার নিয়ম পাওয়া গেছে।
| নিবন্ধনের ঘর | ওই সিঁড়িতে অবস্থান |
|---|---|
| সাম্প্রতিকতম ঘর | সবচেয়ে সস্তা |
| তার আগেরটি | পরের ধাপ |
| তারও আগেরটি | মাঝের ধাপ |
| আরও পুরোনো ঘর | তার ওপরের ধাপ |
| সবচেয়ে পুরোনো ঘর | সবচেয়ে দামি |
ছাপ্পান্নটির মধ্যে ছত্রিশটি সারিতে সঙ্গে মেইলের চিহ্ন আছে। অন্য অনেক তাকে এই চিহ্নটা দামের বড় ভাগ তৈরি করে। এখানে করে না, আর সেটা প্রতিটি দোকানের ভেতরে আলাদা করে দেখা হয়েছে।
যে ছয়জন বিক্রেতার হাতে অন্তত তিনটি করে এমন সারি আছে, তাঁদের প্রত্যেকের ভেতরে ওই সারিগুলোর দাম তাঁর নিজের মাঝামাঝি দামের কার্যত সমান। একজনের কাছে সামান্য নিচে, একজনের কাছে সামান্য ওপরে, বাকিদের কাছে ঠিক সমান।
মেইলবাক্সটা এখানে দুষ্প্রাপ্য নয়, তাই তার আলাদা দাম নেই। সেটা খারাপ খবর নয়, বরং ভালো: আপনি বাড়তি টাকা না দিয়েই পাসওয়ার্ড ফেরানোর পথটা পাচ্ছেন। প্রশ্নটা তাই দাম নয়, মেইলটা সত্যিই চলে কি না।
তিনটি সারির শিরোনামে লেখা আছে যে সঙ্গের মেইলটা যাচাই করা নয় বা কাজ নাও করতে পারে। তিনটিই একজন বিক্রেতার আর তিনটিই একই বছরের মালামাল। বিক্রেতা নিজে যখন এটা লিখে রাখেন তখন সেটা গোপন কিছু নয়, কিন্তু তালিকার ছাঁকনিতে ওই তথ্য ধরা পড়ে না।
প্রথমেই মেইলটা খুলে দেখুন। প্রোফাইলে ঢোকা গেলেও যদি মেইল না খোলে তবে পাসওয়ার্ড ফেরানোর পথটা আপনার হাতে নেই, আর সেটা পরে টের পাওয়ার চেয়ে এখনই টের পাওয়া ভালো।
এই তাকে দাম অনুসারে সাজালে যে জিনিসটা সবার আগে আসে সেটা একটা প্রোফাইল নয়, আর নামটা না পড়লে সেটা বোঝার উপায় নেই।
এই তাক মাঝারি রকম ছড়ানো, আর তাতে তুলনা করার সুযোগ আছে কিন্তু ভরসা কম।
সবচেয়ে বড় বিক্রেতার হাতে ষোলোটি সারি, অর্থাৎ চার ভাগের একের সামান্য বেশি। তারপর ছয়, ছয়, পাঁচ, চার, চার। সাতজন বিক্রেতার হাতে একটিমাত্র করে সারি, আর তাঁদের দাম নিয়ে কিছু বলার মতো তথ্য নেই।
পঁয়ত্রিশটি সারিতে যাচাইয়ের সময় আধা দিন, ছয়টিতে পুরো এক দিন, পাঁচটিতে এক ঘণ্টা আর সাতটিতে আধা ঘণ্টার কাছাকাছি। মাঝামাঝি সারিতে আধা দিন, আর নয়টি সারিতে এক ঘণ্টারও কম।
সম্পন্ন অর্ডার ধরে হিসাব করলে এই তাকের বিরুদ্ধে চোদ্দোটি অর্ডার লাইন আর তেতাল্লিশটি একক পাওয়া যায়, ছাপ্পান্নটির মধ্যে আটটি সারিতে। ছয়টি সারির গায়ে বিক্রির যে সংখ্যা লেখা আছে সেটা উজানের দোকানের হিসাব, আমাদের নয়।
বাংলায় যাঁরা আয়ের প্রশ্ন নিয়ে আসেন তাঁদের জন্য এই চারটি কথা সবচেয়ে জরুরি।
এক বিক্রেতার তালিকায় পুরোনো ঘরের দাম নতুন ঘরের চেয়ে বেশি, ধাপে ধাপে। কিন্তু আরেক বিক্রেতার তালিকায় বছরের চিহ্নটা দামের কিছুই বদলায় না। দুই দোকানের বছর মিলিয়ে দাম বিচার করা যাবে না।
তিনটি সারি নিজেরাই লিখে রেখেছে যে সঙ্গের মেইল কাজ নাও করতে পারে। বাকিগুলো নীরব, তার মানে চলবেই তা নয়। যাচাইয়ের সময়ের প্রথম কাজটাই হওয়া উচিত মেইলে ঢুকে দেখা।
সবচেয়ে সস্তা সারিটা কোনো আইডিই নয়, ওটা ব্রাউজারের পরিচয়ের একটা তালিকা। এই তাকে দুই প্রান্তের ফারাক দুই হাজার গুণের বেশি, তাই দাম দিয়ে বাছাই করলে আপনি ধরনটাই বদলে ফেলছেন।
বাংলায় এই সাইট নিয়ে যে আয়ের প্রশ্নটা আসে, তার উত্তর একটা কেনা প্রোফাইল দেয় না। প্রোফাইলের বয়স একটা শুরুর বিন্দু মাত্র, আর তার পরের সবটাই আপনার নিজের কাজ।
এই ক্যাটাগরি সম্পর্কে দ্রুত উত্তর। উত্তর পুরো পড়তে প্রশ্নটি প্রসারিত করুন।
শিরোনামে বছরের ঘর লেখা আছে কি না দেখে নিন।
